zinc fertilizer - জিংক সারের ধরণ, উপকারিতা এবং ব্যবহার বিধি
Zinc Fertilizer - জিংক সারের ধরণ, উপকারিতা এবং ব্যবহার বিধি
জিংক সার হলো উদ্ভিদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অণু-পুষ্টি উপাদান, যা গাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও ফলনের জন্য প্রয়োজনীয়। মাটিতে জিংকের ঘাটতি হলে গাছের পাতা ছোট হয়ে যায়, হলুদ দাগ দেখা দেয় এবং ফলন কমে যায়। তাই সঠিক মাত্রায় জিংক সার ব্যবহার করলে ফসলের উৎপাদন ও গুণগত মান বৃদ্ধি পায়।
জিংক সারের বিভিন্ন ধরণ রয়েছে। এর মধ্যে জিংক সালফেট (Zinc Sulphate), চিলেটেড জিংক (Chelated Zinc) এবং জিংক অক্সাইড (Zinc Oxide) সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। জিংক সালফেট ধান, গম, ভুট্টা ও সবজি চাষে জনপ্রিয়। অন্যদিকে চিলেটেড জিংক দ্রুত গাছে শোষিত হয় এবং পাতায় স্প্রে করার জন্য উপযোগী।
জিংক সারের প্রধান উপকারিতা হলো এটি গাছের ক্লোরোফিল তৈরি বৃদ্ধি করে, শিকড় শক্তিশালী করে এবং ফুল ও ফল ধরতে সাহায্য করে। এছাড়া গাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং ফসলের আকার ও স্বাদ উন্নত হয়। ধান চাষে জিংকের ব্যবহার ফলন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াতে সাহায্য করে।
ব্যবহার বিধির ক্ষেত্রে জমির মাটির অবস্থা অনুযায়ী সারের পরিমাণ নির্ধারণ করা উচিত। সাধারণত জমি তৈরির সময় মাটির সঙ্গে জিংক সালফেট মিশিয়ে ব্যবহার করা হয়। পাতায় স্প্রে করার জন্য নির্ধারিত মাত্রায় পানির সঙ্গে মিশিয়ে প্রয়োগ করতে হয়। অতিরিক্ত ব্যবহার ক্ষতিকর হতে পারে, তাই কৃষি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবহার করাই উত্তম।
জিংক বা দস্তা সার উদ্ভিদের বৃদ্ধির জন্য একটি অতিপ্রয়োজনীয় অণুপুষ্টি উপাদান। এটি প্রধানত গাছের ক্লোরোফিল উৎপাদন, প্রোটিন সংশ্লেষণ এবং এনজাইম সক্রিয় করতে সাহায্য করে ।
নিচে জিংক সারের ধরণ, উপকারিতা এবং ব্যবহার বিধি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হলো:
জিংক সারের প্রকারভেদ
কৃষিকাজে সাধারণত তিন ধরনের জিংক সার বেশি ব্যবহৃত হয়:
জিংক সালফেট মনোহাইড্রেট: এতে ৩৬% জিংক এবং ১৭.৫% সালফার থাকে ।
জিংক সালফেট হেপ্টাহাইড্রেট: এতে জিংকের পরিমাণ ২১-২২% এবং সালফার ১০-১১% থাকে ।
চিলেটেড জিংক (EDTA Zinc): এটি পানিতে দ্রুত দ্রবণীয় এবং সাধারণত পাতায় স্প্রে করার জন্য ব্যবহৃত হয় ।
প্রধান উপকারিতা
ফলন বৃদ্ধি: ধানে কুশি সংখ্যা বাড়ায় এবং দানা পুষ্ট করে । জিংক ব্যবহারে ধানের ফলন ২৪% এবং ভুট্টার ফলন ৪৩% পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে ।
পুষ্টির শোষণ: এটি গাছের নাইট্রোজেন হজম করার ক্ষমতা বাড়ায় এবং ক্লোরোফিল উৎপাদনে সহায়তা করে।
প্রতিরোধ ক্ষমতা: গাছকে খরা সহিষ্ণু করে তোলে এবং বিভিন্ন এনজাইম নিঃসরণে ভূমিকা রাখে ।
প্রয়োগ পদ্ধতি ও মাত্রা
মাটিতে প্রয়োগ: জমি তৈরির শেষ চাষের সময় বিঘা প্রতি (৩৩ শতাংশ) ১-২ কেজি জিংক সালফেট মাটির ৭-১০ সেমি গভীরে মিশিয়ে দেওয়া সবচেয়ে কার্যকর ।
পাতায় স্প্রে: গাছের পুষ্টির অভাব দেখা দিলে ০.৫% হারে (প্রতি লিটার পানিতে ৫ গ্রাম) জিংক সালফেট মিশিয়ে স্প্রে করা যেতে পারে ।
সতর্কতা: জিংক সার কখনোই ফসফেট জাতীয় সারের (যেমন- TSP, DAP) সাথে মিশিয়ে প্রয়োগ করবেন না, কারণ এতে সারের কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যায় ।
দাম ও প্রাপ্তিস্থান
বর্তমানে বাংলাদেশে ভালো মানের ১ কেজি জিংক সারের (মনোহাইড্রেট) দাম মানভেদে ২৮০ টাকা থেকে ২৯৫ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে ।
সারাদেশে কুরিয়ারে আমাদের পণ্য পাঠানো হয়। অগ্রিম মূ্ল্য পরিশোধ করে অর্ডার কনফার্ম করতে হবে। কন্ডিশনে নিতে হলে অর্ধেক মূল্য অগ্রিম পরিশোধ করতে হবে।
যে কোন প্যাকেজের পণ্য/চারা/ফল স্টক থাকা সাপেক্ষে মূল্য কম বা বেশি হতে পারে। প্রতিটি পণ্য/চারা/ফল ক্রয়ের পূর্বেই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
📞 অর্ডার ও যোগাযোগ
☎️ কল করুন: ০১৩০৩–৯৯২৫৮৭
হোয়াটসঅ্যাপ / WhatsApp: 01303992587
📍 ঠিকানা: চৌধুরী হাউস
১১/১/ এ, কবি জসিম উদ্দিন রোড, মতিঝিল, ঢাকা ১২১৭
🌐 Facebook: facebook.com/krishisecrects
📧 Email: krishisecrects@gmail.com

.jpg)
.jpg)
.png)
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url